শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
লকডাউন না মানলে করোনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লকডাউন না মানলে করোনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আশংকা প্রকাশ করেছেন যে লকডাউনের সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তিনি বলেন, দুই হাজারের জায়গায় যদি ৫০,০০০ মানুষ সংক্রমিত হয়ে যায় তাহলে সরকারের পক্ষে সেটির সংকুলান করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, আমরা যদি সংক্রমণ কমাতে চাই এবং মৃত্যু কমাতে চাই তাহলে লকডাউনের বিধিবিধান মানতে হবে। ১৮-দফা নির্দেশনা মানতে হবে, মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে।

মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশনের একটি ভবনকে কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য ১,২০০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করার এক অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে করোনা চিকিৎসার জন্য সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে সাড়ে ৩ হাজার শয্যা বাড়ানো হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ২,৫০০ শয্যা দ্বিগুণ করে ৫,০০০ করা হয়েছে। শীঘ্রই আরো ১,২০০ শয্যা যোগ হবে। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতালে ১,০০০ শয্যা আছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সবচেয়ে বড় বিষয় আমরা পাঁচ হাজার বেড করলাম। এরপরে তো আর এক ইঞ্চি জায়গাও নাই যেখানে আপনি আরেকটা বেড রাখতে পারবেন। তখন বেডটা কোথায় দিবো? আপনাদের বাড়ি ঘরে তো বেড নিয়া গেলে হবে না।”

তিনি বলেন, সংক্রমণ কমানোর কোন বিকল্প নেই, যাতে রোগী না বাড়ে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রোগী যদি আজকে ১০ হাজার হয়ে যায়, ২০ হাজার হয়ে যায়, কোথায় নিবেন? কোথায় চিকিৎসা করবেন? ডাক্তার কোথা থেকে পাবো?বেড বাড়ালাম, নার্স কোথা থেকে পাবো? এটা তো সম্ভব নয়।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনেকে লকডাউন মানতে চাচ্ছে না। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দোকানদাররা বিক্ষোভ ও ভাংচুর করেছে।

তিনি বলেন, জনগণের মঙ্গলের জন্যই লকডাউন এবং ১৮-দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংক্রমণ কমানোর জন্য সরকার সব ধরণের চেষ্টা করছে এবং চেষ্টার কোন ত্রুটি নেই।

ঢাকাসহ সারাদেশে ২,০০০ হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটর দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এ ব্যবস্থা আইসিইউ’র মতো কাজ করে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD